Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    রবিবার, ৬ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    চামড়া শিল্পে কাঁচামালের সুবিধা নিতে পারছে না বাংলাদেশ

    জুলাই ৩, ২০২৩ ৩:৩৫ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    পাদুকা ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিতে অনেকটাই পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। নিয়মিত কাঁচা চামড়া পাওয়া সত্ত্বে এই অনগ্রসরতা খাতটিতে পর্যাপ্ত মনোযোগ না দেওয়ার চিত্রই  সামনে আনে। অথচ রফতানি বাজারের প্রতিযোগী দেশগুলো কাঁচামাল সংকটের মধ্যেও উন্নতি করছে।

    উদাহরণস্বরূপ, ভিয়েতনামের আগে পাদুকা এবং চামড়াজাত পণ্য রফতানি শুরু করা সত্ত্বেও আয়ের দিক থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। ভিয়েতনাম যেখানে এই খাত থেকে বছরে আয় করে ২০ বিলিয়ন ডলার, সেখানে বাংলাদেশের আয় মাত্র এক বিলিয়ন।  

    প্রতি বছর ঈদুল আজহার পর এ খাতে বাংলাদেশের দুর্বলতা প্রকট হয়ে ওঠে। দুষ্প্রাপ্য পণ্য হলেও, কাঁচা চামড়ার দাম বছরের পর বছর ধারাবাহিকভাবে হ্রাস পাচ্ছে।

    বর্তমানে চামড়ার মূল্য গত এক দশক বা তারও আগের তুলনায় কম। বিশেষত, ঈদুল আজহায় দাম কম হওয়ায় সুবিধাবঞ্চিতরা নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত হন। কারণ ধর্মীয়ভাবে চামড়া বিক্রির অর্থ সুবিধাবঞ্চিতদের দেওয়ার বিধান রয়েছে।

    গত পাঁচ থেকে ছয় বছরে কোরবানির পশুর দাম যেখানে দ্বিগুণ হয়েছে, সেখানে কাঁচা চামড়ার দাম কমে হয়েছে অর্ধেক। যা বৈষম্যের চিত্র আরো বেশি ফুটিয়ে তোলে।

    ২০০০ এর দশকের শেষদিকে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দার সময় বৈশ্বিক ভোক্তারা চামড়াজাত জুতার বিকল্প হিসেবে সিন্থেটিক জুতা বেছে নিতে শুরু করেন। বিষয়টিকে পাদুকা ও চামড়াজাত পণ্য রফতানিতে পিছিয়ে থাকার কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন এ খাতের ব্যবসায়ীরা।

    তবে ব্যবসায়ীরা মূল ধাক্কা তখনই খান, যখন তারা ট্যানিং শিল্পের পরিবেশগত মানদণ্ড মানতে বাধ্য হন।

    ২০১৭ সালে রাজধানীর হাজারিবাগ থেকে ট্যানারিগুলো সাভারের নতুন ট্যানারি কমপ্লেক্সে স্থানান্তর করা হয়। একইসঙ্গে তাদেরকে অন্যতম শীর্ষ ব্র্যান্ডগুলোর জোট- লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপ (এলডব্লিউজি) মানদণ্ড অনুসরণ সংক্রান্ত এই সার্টিফিকেট নিতে হয়। এতে এই শিল্পের জন্য নতুন মাত্রার চ্যালেঞ্জও যুক্ত হয়।

    বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, 'এলডব্লিউজি সার্টিফিকেশন ছাড়া আমরা চামড়ার ন্যায্য মূল্য পাচ্ছি না এবং পরিহাসের বিষয় হল, যে নতুন কমপ্লেক্সে আমরা স্থানান্তর করতে বাধ্য হয়েছি, সেখানে সেন্ট্রাল এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (সিইটিপি) ত্রুটিপূর্ণ।'

    চীনের একটি কোম্পানি ত্রুটিপূর্ণ সিইটিপি তৈরি করেছে এবং ২০২০ সালে তারা একটি স্থানীয় বিশেষায়িত কোম্পানির কাছে তা হস্তান্তর করে। এই কোম্পানি মূলত সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। মিজানুর রহমান বলেন, আজ পর্যন্ত পরিস্থিতির কোন উন্নতি হয়নি।

    তিনি আরো বলেন, 'এই সিইটিপি সাভারের ১৪০টির বেশি ট্যানারিকে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের চোখে অসঙ্গতিপূর্ণ করে রেখেছে, যারা আমাদেরকে দ্বিগুণেরও বেশি দাম দিতেন।'  

    বিটিআইয়ের মতে, সাভারে স্থানান্তরের আগে, যখন অনেক বিদেশী ক্রেতার জন্য এলডব্লিউজি সার্টিফিকেশন বড় ব্যাপার ছিল না, তখন ফিনিশড চামড়া প্রতি বর্গফুট ২.২৫ ডলার দরে রফতানি করা হচ্ছিল। এখন তা ০.৮ থেকে ১.২ ডলারে নেমেছে।  

    প্রধানত কিছু চীনা এবং ইতালিয়ান ক্রেতা এখনও আছেন, যারা বাংলাদেশ থেকে ফিনিশড ও সেমি-ফিনিশড চামড়া কেনেন।

    'কিন্তু তাদের সাথে প্রতি বর্গফুটের জন্য কয়েক সেন্ট নিয়ে দর কষাকষি করতে হয়, যা আমাদের জন্য এক কঠিন বাস্তবতার মধ্যে ফেলেছে' বলে জানান মিজানুর রহমান।

    বিটিএ চেয়ারম্যান মো. শাহিন আহমেদ গত মাসে জানান, এলডব্লিউজি ২০০৫ সাল থেকে সার্টিফিকেশনের উদ্যোগ নেয়। তারপর থেকে ভারত তার ট্যানারিগুলো সংস্কার শুরু করে। এখন ভারতে সার্টিফিকেট পাওয়া ট্যানারির সংখ্যা ২৫০টি। যেখানে ৪২টি-ই পশ্চিমবঙ্গের। সে তুলনায়, বাংলাদেশের মাত্র দুটি ট্যানারি এলডব্লিউজি সার্টিফিকেশন পেয়েছে আর একটি পাওয়ার প্রক্রিয়ায় আছে। এই তিন ট্যানারির একটিও সাভারে ছিল না।

    মিজানুর রহমান বলেন, ইতালি-ভিত্তিক বিশ্বের শীর্ষ সিইটিপি প্রযুক্তি কোম্পানির সঙ্গে কথা বলে ট্যানাররা সরকারকে সিইটিপি কার্যকর করতে প্রায় ৫০ কোটি টাকা এবং মানদণ্ড উপযোগী করতে পরবর্তীতে আরো ২০০-২৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করার পরামর্শ দেয়।

    তিনি বলেন, ৩০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ এবং সিইটিপি ব্যবস্থাপনায় বেসরকারি খাতের যথাযথ ভূমিকা অনেক ট্যানারকে এলডব্লিউজি সার্টিফিকেশন পেতে সাহায্য করবে এবং তারা চামড়া রফতানি থেকে বছরে প্রায় ৪০০-৫০০ ‍মিলিয়ন ডলার আয় করতে পারবে।

    মিজানুর রহমান আরো বলেন, 'এই সুবিধা থাকলে আমাদের প্রতিযোগী ট্যানারদের মতো আমরাও প্রতি বর্গফুট চামড়া ২.২৫ ডলারে বিক্রি করতে পারতাম।'

    ২০২১-২০২২ অর্থবছরে বাংলাদেশ চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য থেকে আয় করেছে ১.২৫ বিলিয়ন ডলার। যেখানে ফিনিশড (প্রক্রিয়াজাত) ও সেমি-ফিনিশড (আধা-প্রক্রিয়াজাত) চামড়া থেকে এসেছে ‍কেবল ১২৫ মিলিয়ন ডলার। অথচ ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ফিনিশড ও সেমি-ফিনিশড চামড়া রপ্তানি হয়েছিল ৪০০ মিলিয়ন ডলার।

    বিটিএর তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় চামড়ার এলডব্লিউজি সার্টিফিকেশন না থাকায়– ক্রেতাদের শর্তের কারণে চামড়াজাত পণ্য রফতানিকারকদের অন্য দেশ থেকে সার্টিফাইড চামড়া আমদানি করতে হয়। বছরে চামড়া আমদানিতে ব্যয় হয় ১৫০ মিলিয়ন ডলার।

    বাংলাদেশ থেকে কিনে নেওয়া সেমি ফিনিশড চামড়া প্রক্রিয়াজাত করে ফিনিশিংয়ের পর চীন ফের সেগুলো বেশি দামে বাংলাদেশে রফতানি করে। পাশাপাশি চামড়াজাত পণ্যের স্থানীয় বাজারও সম্প্রসারণ হয়েছে দেশটিতে, যেখানে বিপুল চাহিদা রয়েছে।  

    বিটিএর ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, চামড়াজাত পণ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্থানীয় বাজার – কম দক্ষতা, উচ্চ মূল্য এবং নিম্ন প্রবৃদ্ধির – একটি দুষ্ট চক্রের মধ্যে রয়েছে। অন্যদিকে, এক কোটি গরু-মহিষ এবং দুই কোটি ছাগল-ভেড়া থেকে আসা বার্ষিক ২৭-৩০ কোটি বর্গফুট চামড়ার উল্লেখযোগ্য অংশ বিক্রি করার জন্য স্থানীয় বাজারও বড় করতে ব্যর্থ হয়েছে।  

    বিটিএর চেয়ারম্যান শাহিন বলেন, 'কার্যকর সিইটিপি দেশের ৯৫ শতাংশ ট্যানারির জন্য গেম চেঞ্জার হয়ে উঠবে। এলডব্লিউজি সার্টিফিকেশন পাওয়া বিশ্বের অনেক ট্যানারি আমরা পরিদর্শন করেছি। আমাদের বেশিরভাগ ট্যানারির জন্য এলডব্লিউজি সার্টিফিকেশন পাওয়া কঠিন কিছু হবে না।'

    অকা/চাশি/সকাল, ০৩ জুলাই, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    চামড়া শিল্পে কাঁচামালের সুবিধা নিতে পারছে না বাংলাদেশ

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    চামড়াশিল্পে ঋণসংকট ও খেলাপির ঊর্ধ্বগতি

    গরুর দাম বাড়লেও তুলনামূলকভাবে চামড়ার দাম বাড়ছে না

    চামড়ার গুণগত মান নিশ্চিতে সার্বক্ষণিক তদারকি হচ্ছে

    চামড়াজাত পণ্যের উৎপাদন ও বাণিজ্য বাড়ছে

    চামড়ার পাদুকাপণ্য রফতানিকারকরা এখন ৫ শতাংশের বেশি ছাড়ের আবেদন করতে পারবে

    চামড়া খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ হাজার ৫৪১ কোটি ৪২ লাখ টাকা

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    এলপিজির দাম আবার বাড়ল – ১২ কেজি সিলিন্ডার ১,৯৪০ টাকা

    দ্বৈত নাগরিকত্ব উন্নয়নের বাধা

    ব্যাংকনির্ভর ঋণচাপ
    রেকর্ড ছুঁইছে সরকারের অভ্যন্তরীণ ধার

    চাপে নিত্যপণ্যের বাজার

    বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম
    অকটেনের দাম ১৪০ টাকা, পেট্রোল ১৩৫

    বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১০ শতাংশ কমলো
    হরমুজ প্রণালি খুলে দিল ইরান

    সন্ধানী লাইফের বার্ষিক কক্সবাজার সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    না ফেরার দেশে বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান

    জ্বালানি সংকট মোকাবিলা
    মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    উৎপাদনের লক্ষ্য ১০ হাজার মেগাওয়াট 
    সৌরবিদ্যুতে বিপ্লব ঘটবে বাংলাদেশে

    কর কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আনছে সরকার

    আবারও ডলার কিনলো বাংলাদেশ ব্যাংক

    দুই সপ্তাহে রেমিট্যান্স এলো ১৬০ কোটি ডলার

    বিপুল লোকসানে এয়ার ইন্ডিয়া: হিমশিম খাচ্ছে টাটা গ্রুপ

    আবাসন খাতে মন্দা: খেলাপি ঋণের চাপে দিশেহারা ডেভেলপাররা

    বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি: বিও অ্যাকাউন্ট খোলার হার ঊর্ধ্বমুখী

    ওয়ালটন প্লাজা ইয়ারলি অ্যাওয়ার্ড প্রোগ্রামে প্লাজা ও কর্মকর্তা পুরস্কৃত

    ঋণ পরিশোধ করতে আর্থিক চাপের মুখে বাংলাদেশ

    ডলারের দামে লাগাম টানতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ

    মেধাও হোক ঋণের জামানত

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.