Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    জুনের তুলনায় জুলাইয়ে রপ্তানি আয় কমেছে

    আগস্ট ৩, ২০২২ ৪:৪০ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রপ্তানি আয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে। গত জুনের তুলনায় জুলাইয়ে রপ্তানি আয় কমেছে ৯৩ কোটি ডলার। জুনে রপ্তানি আয় হয়েছিল ৪৯১ কোটি ডলার।

    জুলাইয়ে হয়েছে ৩৯৮ কোটি ৪৮ লাখ ডলার। এক মাসের ব্যবধানে রপ্তানি আয় কমেছে সাড়ে ২৩ শতাংশ। তবে গত অর্থবছরের জুলাইয়ের তুলনায় রপ্তানি আয় বেড়েছে ১৪ দশমিক ৭২ শতাংশ। একই সঙ্গে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে রপ্তানি আয় ১ দশমিক ৬৫ শতাংশ বেশি এসেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক গত মে মাসেই পূর্ভাবাস দিয়েছিল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে যে মন্দা দেখা দিয়েছে, এর প্রভাবে রপ্তানি আয় কমে যাবে। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক যেসব রপ্তানি বিল এখনো বকেয়া রয়েছে সেগুলো দেশে আনার জন্য ব্যাংকগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। এখন প্রায় ১ হাজার কোটি ডলারের রপ্তানি আয় বিদেশে আটকে রয়েছে। যেগুলোর দেশে আনার সময় পেরিয়ে গেলেও আসছে না। 

    এদিকে রপ্তানি আয় কমায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় আগামী দিনে চাপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করেছেন অর্থনীতিবিদরা। তারা বলেছেন, দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান খাত রপ্তানি। এটি কমে গেলে ডলারের প্রবাহও কমে যাবে। তখন চাপও বাড়বে। এতে মুদ্রাবাজারে আরও অস্থিরতা সৃষ্টি হবে। 

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত মে মাসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে রপ্তানি কমার কারণে মুদ্রাবাজারে অস্থিরতা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। 

    ইপিবির প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের জুলাইয়ে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৯২ কোটি ডলার। আয় হয়েছে ৩৯৮ কোটি ৪৮ লাখ ডলার। অর্থাৎ, লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ দশমিক ৬৫ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের জুলাইয়ে রপ্তানি আয় হয়েছিল ৩৪৭ কোটি ৩৪ লাখ ডলার।

    গত বছরের জুলাইয়ের তুলনায় চলতি বছরের জুলাইয়ে বেড়েছে ১৪ দশমিক ৭২ শতাংশ। গত জুনে রপ্তানি আয় হয়েছিল ৪৯১ কোটি ডলার। গত জুনের তুলনায় জুলাইয়ে রপ্তানি কমেছে সাড়ে ২৩ শতাংশ।

    গত অর্থবছরের ১২ মাসের মধ্যে ৯ মাসই রপ্তানি আয় ছিল ৪০০ কোটি ডলারের ওপরে। বাকি ৩ মাস ছিল ৪০০ কোটি ডলারের নিচে। গত অর্থবছরের জুলাই, আগস্ট ও মে মাসে রপ্তানি আয় ৪০০ কোটি ডলারের নিচে ছিল।

    সেপ্টেম্বর থেকে এপ্রিল ও জুনে রপ্তানি আয় ছিল ৪০০ কোটি ডলারের ওপরে। এর মধ্যে ডিসেম্বর, জানুয়ারি ও জুনে রপ্তানি আয় ৫০০ কোটি ডলারের কাছাকাছি ছিল। সূত্র জানায়, চলতি বছরের জুলাইয়ে রপ্তানি আয় কমবে, এটা আগে থেকেই আঁচ করা গিয়েছিল।

    কেননা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ইউরোপ-আমেরিকাসহ বিশ্বের অনেক দেশে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দেয়। মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে যায়। যে কারণে অনেক দেশ সুদের হার বাড়িয়ে সংকোচনমুখী মুদ্রানীতি অনুসরণ করে। বাংলাদেশে রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশই আসছে ইউরোপ, কানাডা ও আমেরিকার দেশগুলো থেকে। ওইসব দেশে মন্দা থাকায় রপ্তানি আয়ও কমছে। 

    এদিকে জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এসেছে ২০৯ কোটি ডলার, যা গত ১৪ মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। ২০২১ সালের মে মাসে এর চেয়ে বেশি অর্থাৎ ২১৭ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার বাড়ায়, প্রবাসীদের নানা সুবিধা দেওয়ায় এবং হুন্ডির বিরুদ্ধে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ায় রেমিট্যান্স প্রবাহ সামনে বাড়বে। গত অর্থবছরে দেশে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ বা এফডিআই এসেছে প্রায় ২০০ কোটি ডলার। গত অর্থবছরে এসেছিল ১৭৭ কোটি ডলার।

    এদিকে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয়ের প্রধান খাত আমদানি ব্যয় ও এলসি খোলা কমতে শুরু করেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম কমা এবং এলসিতে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করায় আগামী দিনে এ খাতে ব্যয় আরও কমবে।

    তবে বকেয়া ঋণ ও এলসির অর্থ পরিশোধ করার কারণে চাপ বাড়বে। গত অর্থবছরে আমদানি বেড়েছে ৩৫ শতাংশ। এলসি খোলা বেড়েছে ৩২ শতাংশ। তবে অর্থবছরের শেষদিকে এসে আমদানি কমতে শুরু করেছে।

    গত মার্চে আমদানি বেড়ে ৭৯৩ কোটি ডলারে উঠেছিল। এপ্রিল থেকে তা কমতে শুরু করেছে। গত মে মাসে আমদানি ব্যয় হয়েছে ৬৭৩ কোটি ডলার। জুনে সাময়িক হিসাবে আমদানি হয়েছে ৭১০ কোটি ডলার। অর্থাৎ, আগের মাসের চেয়ে আবার বেড়েছে।
    #

    অকা/বা/ দুপুর, ৩ আগস্ট, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 years আগে

    জুনের তুলনায় জুলাইয়ে রপ্তানি আয় কমেছে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    ডিএপি কারখানা চালু হচ্ছে আজ

    এপ্রিলেও বাড়লো মূল্যস্ফীতি

    সাপ্লিমেন্ট আমদানিতে নতুন কড়াকড়ি

    বোতলজাত তেলের দাম বাড়লো লিটারে ৪ টাকা

    এক হাটের ইজারায় দর উঠলো ১৪ কোটি টাকা

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.