Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বিদেশি ষড়যন্ত্রের বয়ান কতটা বাস্তব?

    জুলাই ২০, ২০২৬ ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ3
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

     

    বিশেষ প্রতিনিধি

    বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিদেশি হস্তক্ষেপ বা ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নতুন কোনো বিষয় নয়। বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক দল ও নেতারা এ ধরনের অভিযোগ তুলে জনমনে জাতীয়তাবাদী আবেগ সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছেন।

    সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার দাবি করেছেন, বাংলাদেশের রাজনীতি নাকি ‘দিল্লির রিমোট কন্ট্রোলে’ পরিচালিত হচ্ছে। বক্তব্যটি রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিলেও এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—এমন মন্তব্যের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য কী এবং এই মুহূর্তে তা কেন সামনে আনা হচ্ছে?

    বাস্তবতা হলো, অল্প কিছুদিন আগেই জামায়াত বিদ্যমান সাংবিধানিক কাঠামোর অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। নির্বাচনের ফলাফলও দলটি প্রত্যাখ্যান করেনি। কিন্তু এখন তাদের বক্তব্য এমন একটি ধারণা তৈরি করছে, যেন বর্তমান রাজনৈতিক ব্যবস্থাই স্বাধীনভাবে পরিচালিত হচ্ছে না। এতে পরোক্ষভাবে শুধু রাষ্ট্রীয় কাঠামো নয়, বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারের বৈধতা ও স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতাও প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।

    যদি সত্যিই দেশের রাজনীতি কোনো বিদেশি শক্তির নির্দেশনায় পরিচালিত হয়, তাহলে নির্বাচিত সরকারের কার্যকর ক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। কিন্তু এত বড় দাবি কেবল রাজনৈতিক বক্তব্যের ওপর দাঁড়িয়ে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না। এমন অভিযোগের পক্ষে প্রয়োজন নির্ভরযোগ্য ও সুস্পষ্ট প্রমাণ। অন্যথায় তা রাজনৈতিক স্লোগান হিসেবেই বিবেচিত হবে।

    ভারতের নীতির সমালোচনা অবশ্যই করা যেতে পারে। ভৌগোলিক অবস্থান, অর্থনৈতিক সম্পর্ক, নিরাপত্তা সহযোগিতা ও কূটনৈতিক বাস্তবতার কারণে বাংলাদেশে ভারতের প্রভাব রয়েছে—এ কথা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। একইভাবে বিশ্বের অন্যান্য আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শক্তিও প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর বিভিন্ন মাত্রায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে। এটি আন্তর্জাতিক রাজনীতির স্বাভাবিক বাস্তবতা।

    কিন্তু প্রভাব বিস্তার এবং সরাসরি নিয়ন্ত্রণ—এই দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। বাংলাদেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, বাণিজ্য কিংবা সাংস্কৃতিক অঙ্গন সবই দিল্লি থেকে পরিচালিত হয়—এমন দাবি অত্যন্ত গুরুতর। তাই এমন বক্তব্যের ক্ষেত্রে তথ্য-প্রমাণের মানও সমানভাবে শক্তিশালী হতে হবে।

    নির্বাচনের পর থেকে জামায়াতের বিভিন্ন বক্তব্যে আরেকটি প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। দলটি বারবার আন্দোলন ও রাজপথের কর্মসূচির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। বিরোধী দলের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন বা সরকারের সমালোচনা করার অধিকার গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তবে নির্বাচিত সরকারকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে ধারাবাহিক রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করার কৌশল গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে দুর্বল করে দিতে পারে।

    বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস এ বিষয়ে সতর্কবার্তা বহন করে। যখনই রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা সংসদের পরিবর্তে রাজপথে স্থানান্তরিত হয়েছে কিংবা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পরিবর্তে সংঘাত ও অস্থিতিশীলতা প্রাধান্য পেয়েছে, তখনই দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, প্রশাসনিক সক্ষমতা এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়া জরুরি।

    কোনো রাজনৈতিক দল যদি বিশ্বাস করে যে জনগণের সমর্থন তাদের পক্ষে রয়েছে, তাহলে সেই সমর্থনের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য পরীক্ষা হলো নির্বাচন। গণআন্দোলনেরও গণতন্ত্রে একটি বৈধ ভূমিকা আছে, তবে তা কখনোই জনগণের ভোটে অর্জিত বৈধতার বিকল্প হতে পারে না।

    এখানে একটি স্পষ্ট বৈপরীত্যও রয়েছে। জামায়াত প্রায়ই বিদেশি প্রভাব বা হস্তক্ষেপের সমালোচনা করে। অথচ বাস্তবে দলটি নিজেও বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও ধর্মীয় মহলের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যোগাযোগ সম্প্রসারণের চেষ্টা করে। আংকারা, ইসলামাবাদ কিংবা ওয়াশিংটনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে তাদের কূটনৈতিক তৎপরতার খবরও নতুন নয়।

    আন্তর্জাতিক যোগাযোগ রাখা কোনো রাজনৈতিক দলের জন্য অস্বাভাবিক নয়। বরং এটি আধুনিক রাজনীতির অংশ। কিন্তু যদি নিজের ক্ষেত্রে এই যোগাযোগ গ্রহণযোগ্য হয়, তাহলে প্রতিপক্ষের আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে কেবল ষড়যন্ত্র হিসেবে চিহ্নিত করা নীতিগতভাবে অসামঞ্জস্যপূর্ণ।

    জামায়াতের বর্তমান রাজনীতিকে তাদের অতীত থেকেও পুরোপুরি আলাদা করে দেখা যায় না। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে দলটির ভূমিকা ও অবস্থান দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। সেই ইতিহাস আজও জনমতকে প্রভাবিত করে। ইতিহাস কোনো দলের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের একমাত্র মানদণ্ড নয়, কিন্তু অতীতকে অস্বীকার করেও রাজনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করা সম্ভব নয়।

    বর্তমানে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক চাপ, সুশাসনের সংকট, জননিরাপত্তা, সাংবিধানিক সংস্কার এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এসব সমস্যার সমাধানে প্রয়োজন দায়িত্বশীল রাজনৈতিক নেতৃত্ব, বাস্তবভিত্তিক নীতিগত আলোচনা এবং গঠনমূলক বিতর্ক।

    কিন্তু এসব জটিল সমস্যার ব্যাখ্যা যদি কেবল কোনো বিদেশি ‘রিমোট কন্ট্রোল’ বা ষড়যন্ত্রতত্ত্বের মাধ্যমে দেওয়া হয়, তাহলে তা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করার পরিবর্তে আরও দুর্বল করে তুলবে। গণতন্ত্র বিকশিত হয় তথ্যনির্ভর বিতর্ক, যুক্তিপূর্ণ সমালোচনা এবং শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে। প্রমাণহীন অভিযোগ ও ষড়যন্ত্রের বয়ান সেই পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

    গণতন্ত্রের মৌলিক নীতি হলো—সরকার তার বৈধতা অর্জন করে জনগণের ভোট থেকে। জনগণ চাইলে পরবর্তী নির্বাচনে সেই ম্যান্ডেট নবায়ন করতে পারে, পরিবর্তন করতে পারে কিংবা প্রত্যাহারও করতে পারে। কিন্তু কোনো সরকারকে চ্যালেঞ্জ করার বৈধ পথ ষড়যন্ত্রতত্ত্ব বা সংঘাতের রাজনীতি নয়; সেই পথের নাম অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন।

    সর্বশেষ হালনাগাদ 20 hours আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশনে নতুন প্রেস মিনিস্টার সাইদুর রহমান

    ওপারের ঢলে তিস্তা নদী ফেঁপে ফুলে উঠছে

    চায়না দুয়ারি জালে বিপন্ন নীলফামারীর মৎস্য ও জীববৈচিত্র্য

    সাইফুজ্জামানের গুলশানের ফ্ল্যাটে ফের দুদকের অভিযান

    ফের গ্রেপ্তার রিজেন্ট চেয়ারম্যান সাহেদ করিম

    প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হলেন রাশেদ খাঁন

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশনে নতুন প্রেস মিনিস্টার সাইদুর রহমান

    জুলাইয়ের ১৯ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৯৪ কোটি ডলার

    ওপারের ঢলে তিস্তা নদী ফেঁপে ফুলে উঠছে

    চায়না দুয়ারি জালে বিপন্ন নীলফামারীর মৎস্য ও জীববৈচিত্র্য

    মাত্র ১৯ বছর বয়স, ১৯ নম্বর জার্সি এবং ১৯ জুলাই বিশ্বকাপ জয়ের গল্প ইয়ামালের

    মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো ৪৯ রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স প্রত্যাহার

    ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ
    মন্ত্রণালয় ও সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিতের নির্দেশ

    এডিবির নাম ভাঙিয়ে ভুয়া ঋণের ফাঁদ!

    সাইফুজ্জামানের গুলশানের ফ্ল্যাটে ফের দুদকের অভিযান

    ফের গ্রেপ্তার রিজেন্ট চেয়ারম্যান সাহেদ করিম

    প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হলেন রাশেদ খাঁন

    সিডনিতে জগন্নাথ হল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অস্ট্রেলিয়ার বর্ণাঢ্য পুনর্মিলনী

    বিদেশি ষড়যন্ত্রের বয়ান কতটা বাস্তব?

    বাংলাদেশের বাণিজ্যিক বিমান চলাচল খাত
    বহর বাড়িয়ে বাজার দখলের লড়াই

    আমদানি স্থবির, উৎপাদনে ভাটা

    গোল-অ্যাসিস্ট ছাড়াই গোল্ডেন বল পেলেন রদ্রি

    গোল্ডেন গ্লাভস স্পেনের উনাই সিমনের

    বিশ্বকাপ না জিতেও ইতিহাস এমবাপ্পের, টানা দুই আসরে গোল্ডেন বুট

    বিশ্বকাপের মঞ্চ মাতালেন ম্যাডোনা-শাকিরা-জাস্টিন বিবার-বিটিএস

    ইতিহাসের একমাত্র ফুটবলার হিসেবে বিরল রেকর্ড ইয়ামালের

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.