Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    শেয়ার বাজারে আইপিও স্থবিরতা ও অর্থনৈতিক প্রভাব

    সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৫ ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ1
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    বাংলাদেশের শেয়ার বাজারে গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে কোনো নতুন কোম্পানি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে তালিকাভুক্ত হয়নি। এতে শিল্পখাতে পুঁজি বাজার থেকে অর্থায়নের পথ কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে। ভালো কোম্পানির সংকটের কারণে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও বাজার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভালো কোম্পানি শেয়ারবাজারের প্রাণশক্তি, অথচ দীর্ঘ সময় ধরে নতুন কোনো শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত না হওয়ায় বিনিয়োগকারীরা হতাশ হয়ে পড়েছেন। এর আগে অনেক দুর্বল কোম্পানি বাজারে আসায় সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

    গত বছরের আগস্টে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) পুনর্গঠন করা হয়। তখন প্রত্যাশা ছিল, বাজার সংস্কার ও নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্তির মাধ্যমে শেয়ারবাজার ঘুরে দাঁড়াবে। কিন্তু বাস্তবে এক বছরেও কাঠামোগত সংস্কার শেষ হয়নি, আর নতুন কোনো কোম্পানি তালিকাভুক্ত হয়নি।

    ফলে শিল্পখাত পুরোপুরি ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। গত এক বছরে শিল্পখাতে ব্যাংক থেকে প্রায় ৮৪ হাজার কোটি টাকা নতুন ঋণ দেওয়া হয়েছে। মার্চ ২০২৪-এ শিল্পখাতে ব্যাংক ঋণ যেখানে ছিল ৬ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকার বেশি, সেখানে মার্চ ২০২৫-এ তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি। অর্থাৎ, পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ না হওয়ায় ব্যাংক খাতেই চাপ বহুগুণে বেড়েছে।

    অন্যদিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের তথ্য বলছে, ২০১৯-২০ থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের মধ্যে ৫২টি কোম্পানি আইপিওর মাধ্যমে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। গড়ে বছরে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা অর্থায়ন এসেছে। কিন্তু ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এক টাকাও সংগ্রহ হয়নি। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে এভাবে নতুন কোম্পানি বাজারে না আসা শেয়ার বাজারের ইতিহাসে নজিরবিহীন।

    বাজারে নতুন আইপিও না আসার কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে—তালিকাভুক্তির পর কোম্পানিগুলোকে বছরে চার বার আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করতে হয় এবং কঠোর জবাবদিহির আওতায় আসতে হয়। অনেক উদ্যোক্তা এটিকে বাড়তি চাপ হিসেবে দেখেন। বহুজাতিক কোম্পানিগুলো তালিকাভুক্ত হলে কী বাড়তি সুবিধা পাবে—এ প্রশ্নে সন্তোষজনক উত্তর না পাওয়ায় তারা আগ্রহী হচ্ছে না। তাছাড়া বাজার নিম্নমুখী হওয়ায় প্রত্যাশিত মূল্য না পাওয়ার আশঙ্কায় উদ্যোক্তারা আইপিওতে আসতে চান না।

    আইপিও নীতিমালা সংস্কারের জন্য টাস্কফোর্স কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—স্টক এক্সচেঞ্জকে প্রাথমিক অনুমোদনের দায়িত্ব দেওয়া, নিরীক্ষকদের মানদণ্ড কঠোর করা, ন্যায্য ভ্যালুয়েশন মডেল তৈরি করা এবং ইস্যু ম্যানেজারদের দায়বদ্ধতা বাড়ানো। এসব বাস্তবায়ন হলে বিনিয়োগকারীর আস্থা ফিরতে পারে এবং নতুন কোম্পানিগুলো তালিকাভুক্ত হওয়ার পরিবেশ তৈরি হবে। তবে এখনো সংস্কার কার্যক্রম চূড়ান্ত হয়নি।

    অতীতে আইপিওতে আসা অনেক দুর্বল কোম্পানি কৃত্রিমভাবে শেয়ারের দাম বাড়িয়ে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। প্লেসমেন্ট প্রক্রিয়াতেও অনিয়ম হয়েছে। এ ধরনের অভিজ্ঞতার কারণে বিনিয়োগকারীরা আস্থা হারিয়েছেন এবং উদ্যোক্তারাও শেয়ারবাজারকে ঝুঁকিপূর্ণ ভেবে ব্যাংক ঋণের দিকে ঝুঁকছেন।

    বিশ্লেষকদের মতে, শেয়ার বাজারকে শিল্পখাতের বিকল্প অর্থায়নের উৎস হিসেবে কার্যকর করতে হলে দ্রুত নীতিমালা সংস্কার কার্যকর করতে হবে, সরকারি ও বহুজাতিক কোম্পানির শেয়ার বাজারে ছাড়তে হবে, তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া সহজ করতে হবে এবং অনিয়ম কঠোরভাবে দমন করতে হবে। ভালো কোম্পানি তালিকাভুক্ত হলে বিনিয়োগকারীর আস্থা ফিরবে, শিল্পখাতে টেকসই অর্থায়নের সুযোগ তৈরি হবে এবং ব্যাংক খাতের ওপর চাপও কমবে। অন্যথায় পুরো অর্থনীতি দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। ●
    অকা/পুঁবা/ই/সকাল/২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 8 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    দুই হাজার টাকার চামড়ার দাম ৫০০ টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.