Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    শনিবার, ৩০ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ১৩ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    সর্বনিম্ন অবস্থানে ডিএসই সূচক

    এপ্রিল ১৬, ২০২৫ ১০:৩৫ অপরাহ্ণ9
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আর্থিক খাতে কমবেশি শৃঙ্খলা ফিরলেও পুঁজি বাজার নিয়ে বিনিয়োগকারীদের হতাশা কিছুতেই কাটছে না। এরই মধ্যে হঠাৎ করে টানা দরপতন ঘটতে শুরু করেছে পুঁজি বাজারে। ১৬ এপ্রিল নিয়ে টানা তিনটি কর্মদিবসে বড় ধরনের পতনের শিকার হলো পুঁজি বাজার। ১৬ এপ্রিল দিনশেষে সূচকটি অবস্থান করছিল পাঁচ হাজার ১০৫ দশমিক ৬৮ পয়েন্টে যা এ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে ২৯ জানুয়ারি সূচকটি একবার পাঁচ হাজার ১১২ পয়েন্টে নামলেও পরবর্তীতে তা আবার ঊর্ধ্বমুখী হয়ে ওঠে।

    দেশের প্রধান পুঁজি বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৬ এপ্রিল ২৬ দশমিক ৩২ পয়েন্ট হ্রাস পায়। পাঁচ হাজার ১৩২ দশমিক ০১ পয়েন্ট থেকে দিন শুরু করা সূচকটি ১৬ এপ্রিল দিনশেষে পাঁচ হাজার ১০৫ দশমিক ৬৮ পয়েন্টে স্থির হয়। এ নিয়ে তিন দিনে ঢাকা শেয়ার বাজারের প্রধান সূচকটির প্রায় ১০০ পয়েন্টের কাছাকাছি অবনতি ঘটে। ১০ এপ্রিল সূচকটির অবস্থান ছিল পাঁচ হাজার ২০৫ দশমিক ২৩ পয়েন্টে। সেখান থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত টানা পতন ঘটে সূচকটির। একই সময় ডিএসইর অপর দুই সূচক ডিএসই-৩০ ও ডিএসই শরিয়াহ হারায় যথাক্রমে ৫০ ও ২৫ পয়েন্টের বেশি।

    সূচকের টানা পতন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে হতাশা তৈরি করছে। দীর্ঘ মন্দায় ধুঁকতে থাকা পুঁজি বাজারগুলো বছরের শুরু থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। ফেব্রুয়ারিতে বাজারের লেনদেনও কিছুটা বৃদ্ধি পেতে দেখা যায়। ২৫ ফেব্রুয়ারি ডিএসইর লেনদেন দীর্ঘদিন পর ৬০০ কোটির ঘর অতিক্রম করে। পরবর্তীতে সূচকেও কিছুটা ইতিবাচক প্রবণতা বিরাজ করলে আশার আলো দেখতে পান বিনিয়োগকারীরা। কিন্তু গত কয়েক দিনের বাজার আচরণ তাদের আবার হতাশায় ফেলতে শুরু করেছে। সূচকের বড় অবনতির পাশাপাশি কমতে থাকে বাজারের লেনদেনও।

    ১০ এপ্রিল ডিএসইর লেনদেন ৫৪০ কোটি টাকায় উন্নীত হলেও ১৬ এপ্রিল তা আবার ৩৯৬ কোটি টাকায় ঠেকেছে। মাত্র তিন দিনে বাজারটির লেনদেন হ্রাস পায় ১৪৪ কোটি টাকা। চট্টগ্রাম শেয়ারবাজারে লেনদেন নেমে আসে পাঁচ কোটিতে। দু’দিন আগেও দেশের দ্বিতীয় পুঁজি বাজারটির লেনদেন ছিল ১৫ কোটি টাকা।

    প্রসঙ্গত গত বছরের ৫ আগস্টে সংঘটিত রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর পুঁজি বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) নতুন করে সাজানো হয়। আগের কমিশনের সময় বাজারের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ব্যাপকভাবে অনিয়ম ঢুকে পড়ে। নতুন কমিশন এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে অনিয়মের কিছু কিছু সুরাহার চেষ্টা করলেও তাতে তাৎক্ষণিকভাবে বাজার তার ইতিবাচক ফল পাচ্ছে না। অপর দিকে, আগে বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে যারা বাজার থেকে অন্যায়ভাবে ফায়দা লুটতে সক্রিয় ছিল তারাও নতুন কমিশন কর্তৃক নেয়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কারণে এ মুহূর্তে সক্রিয় নেই। আবার পটপরিবর্তনের পর ব্যাংক ও আর্থিক অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোর বাস্তব চিত্র প্রকাশিত হলে আর্থিক খাত যে ধাক্কা খায় তা কাটিয়ে ওঠে পুঁজি বাজারে সাধারণভাবে বিনিয়োগ পরিবেশ তৈরি হচ্ছে না। ফলে টেকসই বাজার পাচ্ছেন না বিনিয়োগকারীরা। এতে কোনো কোনো দিন সাময়িকভাবে বাজারগুলো ইতিবাচক আচরণ করলেও তা টেকসই হচ্ছে না।

    পুুঁজি বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা না ফিরলে পুঁজি বাজার নিয়ে বেশি কিছু আশা করা যায় না। তবে বিনিয়োগকারীদেরও চলমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বাজারের সাথে থাকতে হবে। এ পরিস্থিতিতে আতঙ্ক বা হতাশা তাদের জন্য আরো লোকসানের কারণ হতে পারে। তাই তারা মনে করেন, ভালো সময়ের অপেক্ষায় থাকার বিকল্প নেই। আর এ সময় দৈনিক ভিত্তিতে ট্রেডিংয়ের চেয়ে দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগই লক্ষ্য হওয়া উচিত। তা না হলে লোকসানের পাল্লা আরো ভারী হতে পারে। তারা অবশ্য মনে করেন, বর্তমান সময়ে বাজারের মূল্যস্তর যেখানে রয়েছে তা থেকে যেকোনো সময় বাজার ঘুরে দাঁড়াতে পারে। তাই আতঙ্কিত না হয়ে প্রত্যেককে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে নিজেদের কষ্টার্জিত পুঁজি রক্ষায় সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত।

    আগের দু’দিনের মতো ১৬ এপ্রিলও ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে ছিল বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন। ১৬ এপ্রিল ২৩ কোটি ৬৯ লাখ টাকায় কোম্পানিটির ২৪ লাখ ৮৯ হাজার শেয়ার হাতবদল হয়। ১২ কোটি সাত লাখ টাকায় ছয় লাখ ৩০ হাজার শেয়ার বেচাকেনা করে দিনের দ্বিতীয় কোম্পানি ছিল ফাইন ফুড লিমিটেড। ডিএসইর লেনদেনের শীর্ষ ১০ কোম্পানির অন্যগুলো ছিল যথাক্রমে ইস্টার্ন লুব্রিকেন্ট, বিচ হ্যাচারি, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, উত্তরা ব্যাংক, শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, শাইন পুকুর সিরামিকস ও এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড।

    একই সময় চট্টগ্রাম শেয়ার বাজারে লেনদেনের শীর্ষ কোম্পানিগুলো ছিল যথাক্রমে লাভেলো আইসক্রিম, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকো, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, ফু ওয়াং সিরামিকস, বিচ হ্যাচারি, ইস্টার্ন হাউজিং, রবি অজিয়াটা ও উত্তরা ব্যাংক।

    ডিএসইতে দিনের মূল্যবৃদ্ধির শীর্ষে ছিল দেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। সাধারণ বীমা খাতের এ কোম্পানিটির ১০ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি ঘটে। এ ছাড়া খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ৯ দশমিক ৯৯ ও শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানির ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি ঘটে। মূল্যবৃদ্ধিতে শীর্ষ দশ কোম্পানির অন্যগুলো ছিল যথাক্রমে শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ, এনার্জি প্যাক, বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার লিমিটেড, ডরিন পাওয়ার, স্কয়ার নিটিং, ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স ও কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স।

    দিনের দরপতনের শীর্ষে ছিল এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়্যাল ফান্ড। ১৬ এপ্রিল ৭ দশমিক ৫৪ শতাংশ দর হারায় এ ফান্ডটি। এ ছাড়া বিডি ফিন্যান্স ৬ দশমিক ৮৯ ও মার্কেন্টাইল ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ৬ দশমিক ৬ শতাংশ দর হারায়। ডিএসইর দরপতনের শীর্ষ ১০ কোম্পানির তালিকায় আরো ছিল যথাক্রমে আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, ইস্টার্ন ক্যাবলস, রিলায়ান্স ওয়ান মিউচুয়াল ফান্ড, ফার্স্ট জনতা ব্যাংক মিউচুয়াল ফান্ড, আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন ও এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড। ●

    অকা/পুঁবা/ফর/রাত/১৬ এপ্রিল ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 1 year আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়লো ৬৫৯০ টাকা

    আমানতকারীদের আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান গভর্নরের

    বাজেট ২০২৬-২৭
    ৫ বছরের আয়কর রোডম্যাপ ঘোষণা

    অর্থনীতিতে বড় মাইলফলক অর্জন
    ৫০১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাল দেশের জিডিপি

    ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বসানো হচ্ছে প্রশাসক

    ১০ হাজার কোটি টাকার জরুরি তহবিল চায় ইসলামী ব্যাংক

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ওপারে আসছে জয়ার ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’

    স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়লো ৬৫৯০ টাকা

    ইতিহাসগড়া জয়ে বিশ্বকাপ শুরু যুক্তরাষ্ট্রের

    আসছে ‘সুড়ঙ্গ-২’, ভিন্ন রূপে ফিরছেন নিশো

    ফার্মহাউস নিয়ে স্বস্তিতে সালমান খান

    আমানতকারীদের আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান গভর্নরের

    সিনেমা বানাচ্ছেন আদনান আল রাজীব

    প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট সন্তোষজনক: বিকেএমইএ

    কালো টাকা সাদা করার সুযোগ অগ্রহণযোগ্য : সিপিডি

    ঋণনির্ভর উচ্চাভিলাষী লুটপাটের বাজেট : জামায়াত

    পে স্কেল অবশ্যই বাস্তবায়ন হবে: অর্থমন্ত্রী

    অবশেষে উৎপাদনে ফিরছে বিডি থাই ফুড

    বিশ্বজুড়ে ফেসবুক ও মেসেঞ্জার বিভ্রাট

    বরাদ্দ বাড়লো বিদ্যুৎ জ্বালানিখাতে

    সামনে লক্ষ্য ‘এআই বাংলাদেশ’

    জলবায়ু ট্রাস্টে শত কোটি টাকার প্রস্তাব

    একনজরে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পুরো বাজেট

    পেলের পরই সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার মোরা

    চেক প্রজাতন্ত্রকে হারাল এশিয়ান পরাশক্তি দক্ষিণ কোরিয়া

    লাল কার্ডের ম্যাচে দ. আফ্রিকাকে হারাল মেক্সিকো

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.