অর্থকাগজ ডেস্ক>
মার্কিন ডলারের বিপরীতে এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছে ব্রিটিশ মুদ্রা পাউন্ড স্টার্লিং। যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার কমার প্রত্যাশা এবং ডলারের দুর্বলতার কারণে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে পাউন্ডের মূল্য বেড়েছে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
সোমবার আন্তর্জাতিক মুদ্রাবাজারে লেনদেনের শুরুতেই পাউন্ডের দর শক্তিশালী হয়। বিনিয়োগকারীদের একটি বড় অংশ এখন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী নীতিগত সিদ্ধান্তের দিকে নজর রাখছেন। সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা বাড়ায় ডলারের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে, যার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে পাউন্ডসহ অন্যান্য প্রধান মুদ্রায়।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক তথ্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রবৃদ্ধিতে কিছুটা শ্লথগতির ইঙ্গিত দিয়েছে। ফলে ফেডের নীতিতে নমনীয়তার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাজ্যের অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে অগ্রগতি এবং শ্রমবাজারের স্থিতিশীলতা পাউন্ডের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়িয়েছে।
বাজার পর্যবেক্ষকদের ভাষ্য, ডলারের দুর্বলতা অব্যাহত থাকলে পাউন্ড আরও শক্তিশালী হতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থান এবং সুদের হার–সংক্রান্ত নতুন তথ্য প্রকাশের পর বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে আবারও ওঠানামা দেখা দিতে পারে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ডলার ও পাউন্ডের বিনিময় হারের পরিবর্তন শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের অর্থনীতিতেই নয়, বৈশ্বিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং আর্থিক বাজারেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকের দিকে নজর রাখছেন বিনিয়োগকারীরা।
সর্বশেষ হালনাগাদ 3 hours আগে

