Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বীমা দাবীর টাকা আটকে আছে অনেক দিন

    মে ১৫, ২০২৫ ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণUpdated:মে ১৫, ২০২৫ ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ53
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    চৌধুরী মো. শাহেদ ●
    দেশের জীবন বীমা খাতে এক উদ্বেগজনক চিত্র ফুটে উঠেছে। নিয়মিতভাবে বীমার কিস্তি পরিশোধ করেও পলিসি মেয়াদ শেষে গ্রাহকদের তাদের ন্যায্য টাকার জন্য বছরের পর বছর ধরে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ)-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদন এই খাতের ভয়াবহ পরিস্থিতি উন্মোচন করেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের ৩২টি জীবন বীমা কোম্পানির কাছে গ্রাহকদের আটকে থাকা দাবির মোট পরিমাণ ৪ হাজার ৩৭৫ কোটি টাকারও বেশি।
    আইনের সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে যে, বীমার মেয়াদ পূর্তির পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার ৯০ দিনের মধ্যেই গ্রাহকের দাবি নিষ্পত্তি করতে হবে। তবে, বাস্তবে বেশিরভাগ জীবন বীমা কোম্পানি এই নিয়ম মানছে না। এমন অনেক গ্রাহক রয়েছেন যারা এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তাদের ন্যায্য টাকা পাওয়ার জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন, কিন্তু কোনো সুরাহা পাচ্ছেন না।
    আইডিআরএ-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত এই বকেয়া দাবির পরিমাণ ছিল প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা। মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে এই অঙ্ক অপ্রত্যাশিতভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ৪ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা মনে করছে, মূলত আর্থিক অনিয়ম, কোম্পানির সম্পদ লোপাট এবং দুর্বল ব্যবস্থাপনার কারণেই এই কোম্পানিগুলো গ্রাহকদের দাবি পরিশোধে চরমভাবে ব্যর্থ হচ্ছে।
    পরিস্থিতি সবচেয়ে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে কয়েকটি নির্দিষ্ট কোম্পানির ক্ষেত্রে। আইডিআরএ-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গ্রাহকদের আটকে থাকা মোট দাবির প্রায় ৮০ শতাংশই নিয়ন্ত্রণ করছে মাত্র পাঁচটি কোম্পানি। এর মধ্যে সানফ্লাওয়ার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের কাছে আটকে থাকা দাবির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি, ৫৯৯ কোটি টাকা। উদ্বেগের বিষয় হলো, এই কোম্পানির ৯৮ শতাংশের বেশি দাবি এখনও পর্যন্ত পরিশোধ করা হয়নি। অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কোম্পানির মধ্যে রয়েছে ফারইস্ট ইসলামী লাইফ, যার কাছে গ্রাহকদের ২৯৪৬ কোটি টাকা আটকে আছে; পদ্মা ইসলামী লাইফের কাছে ২৬১ কোটি টাকা; বায়রা লাইফের কাছে ৮৩ কোটি টাকা এবং প্রগ্রেসিভ লাইফের কাছে ২০১ কোটি টাকা। এই বিপুল পরিমাণ অর্থ আটকে থাকায় অসংখ্য গ্রাহক আর্থিক কষ্টের সম্মুখীন হচ্ছেন এবং জীবন বীমার প্রতি তাদের আস্থা ক্রমশ নিম্নমুখী হচ্ছে।
    এই পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অর্থনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, গ্রাহকদের ন্যায্য টাকা সময়মতো না পাওয়ায় বীমার প্রতি সাধারণ মানুষের বিশ্বাস ভেঙে যাচ্ছে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে এই খাতের সার্বিক বৃদ্ধিতে। এক দশক আগেও দেশের জিডিপিতে বীমা খাতের অবদান প্রায় ১ শতাংশ ছিল, যা বর্তমানে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়ে মাত্র ০.৪৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এই পরিসংখ্যানই প্রমাণ করে যে, গ্রাহকদের আস্থা হারানোর কারণে বীমা খাত কতটা পিছিয়ে যাচ্ছে।
    বীমা খাত সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা মনে করেন, এই সংকট মোকাবিলায় আইডিআরএকে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। অনিয়মকারী কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া, এমনকি প্রয়োজনে তাদের লাইসেন্স বাতিল করার মতো কঠিন সিদ্ধান্তও নিতে হতে পারে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার দুর্বল তদারকি এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপের অভাবই আজকের এই ভয়াবহ পরিস্থিতির জন্ম দিয়েছে বলে মনে করেন অনেকে।
    তবে, এই হতাশাজনক চিত্রের মাঝেও কিছু ব্যতিক্রম লক্ষ্য করা গেছে। পপুলার লাইফ, ট্রাস্ট ইসলামী, চার্টার্ড লাইফ, সোনালী লাইফ, মার্কেন্টাইল ইসলামী লাইফ, সন্ধানী লাইফ, মেঘনা লাইফ এবং রূপালী লাইফের মতো কিছু প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের বীমা দাবির ৯৯ শতাংশের বেশি পরিশোধ করেছে। এই কোম্পানিগুলো প্রমাণ করে যে, সততা, স্বচ্ছতা এবং সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে গ্রাহকদের আস্থা অর্জন করা এবং সময়মতো তাদের দাবি নিষ্পত্তি করা সম্ভব।
    আইডিআরএ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, "কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম পুরো খাতকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।" নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইতোমধ্যে এই সমস্যা সৃষ্টিকারী কোম্পানিগুলোকে গ্রাহকের দাবি পরিশোধের জন্য তাদের সম্পদ বিক্রি করার নির্দেশ দিয়েছে। তবে, এই নির্দেশ কতটা কার্যকর হবে এবং গ্রাহকরা কবে তাদের ন্যায্য টাকা ফেরত পাবেন, তা নিয়ে এখনও সংশয় রয়েছে।
    জীবন বীমা খাতে গ্রাহকদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে অবিলম্বে দাবি পরিশোধে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএ-কে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। অন্যথায়, দেশের বীমা খাতের প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ এবং বিশ্বাস ক্রমাগতভাবে কমতে থাকবে, যা অর্থনীতির জন্য একটি বড় ধাক্কা হতে পারে। ●
    অকা/বিপ্র/বীখা/ই/দুপুর/১৪ মে,২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 1 year আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.