Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    বৃহস্পতিবার, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ১১ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    উন্নয়ন প্রকল্পে কঠিন শর্তের ঋণ দেওয়ার প্রস্তাব বাড়ছে

    এপ্রিল ২৭, ২০২৩ ৪:২৩ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে কঠিন শর্তের ঋণ দেওয়ার প্রস্তাব বাড়ছে উন্নয়ন সহযোগীদের। সম্প্রতি হাওড় উন্নয়নে অনমনীয় শর্তে ঋণ দিতে চাইছে ইন্টারন্যাশনাল ফান্ড ফর এগ্রিকালচার ডেভেলপমেন্ট (ইফাদ)।

    এতে আপত্তি জানিয়েছে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)। সেখানে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত ঋণটি উচ্চ অনমনীয় (কঠিন) শর্তের হওয়ায় এ ধরনের ঋণ গ্রহণ সমীচীন হবে না।

    তাহলে অন্য উন্নয়ন সহযোগীরা পরবর্তী সময়ে একই ধরনের ঋণ দিতে উৎসাহিত হবে। এমন মতামত দিয়ে একটি চিঠি ইআরডির ফাবা (ফরেন এইড বাজেট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস) উইং থেকে পাঠানো হয়েছে সমন্বয় ও নরডিক অনুবিভাগে। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

    ইআরডি সূত্র জানায়, বর্তমানে বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও দেশের কাছ থেকে চড়া সুদ কিংবা কঠিন শর্তের ঋণ প্রস্তাব আসছে। নি ম্ন আয়ের দেশ থেকে উন্নতির দিকে এগিয়ে যাওয়ায় এ ধরনের ঋণ প্রস্তাব দিচ্ছে উন্নয়ন সহযোগীরা। সম্প্রতি রাজশাহী ওয়াসার একটি প্রকল্পের ঋণে নানা কঠিন শর্ত দিয়েছিল চীন। এমনকি প্রকল্প চলাকালীন চীনা কোনো নীতিমালাগত পরিবর্তন হলে কোনো শর্ত ছাড়াই নোটিশ দিয়ে সম্পূর্ণ অর্থায়ন বাতিলের ক্ষমতা চেয়েছে দেশটি। সেই সঙ্গে উচ্চ কমিটমেন্ট ও ম্যানেজমেন্ট (প্রতিশ্রুতি ও ব্যবস্থাপনা) ফি, কম ম্যাচুরিটি (মেয়াদ পূর্ণ) ও সহজপ্রাপ্যতা পিরিয়ড, অধিকার ও ব্যত্যয়ের ক্ষেত্রে চীনা আইন প্রযোজ্য হওয়া এবং যেকোনো সালিশ নিষ্পত্তির স্থান হিসাবে বেইজিং বলে উলে­খ করে প্রস্তাব দিয়েছে দেশটি। কিন্তু এসব প্রস্তাবের বিষয়েও আপত্তি দিয়ে প্রস্তাব ফেরত পাঠায় ইআরডি।

    এ প্রসঙ্গে ইআরডির সাবেক সিনিয়র সচিব কাজী শফিকুল আযম বলেন, এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের দোহাই দিয়ে অনেকে কঠিন শর্ত চাপাতে চাইবে। কিন্তু এখনই বৈদেশিক ঋণে কঠিন শর্ত চাপানোর কোনো কারণ নেই। কেননা ২০২৬ সালের পর বাংলাদেশ যখন এলডিসি থেকে বেরিয়ে যাবে তখন এসব কার্যকর হবে। এখন কোনো কোনো উন্নয়ন সহযোগী যদি অতি উচ্চ অনমনীয় শর্তে ঋণ দিতে চায় তা হলে সেটি নেওয়ার ক্ষেত্রে ভাবতে হবে। কেননা শুধু বৈদেশিক অর্থের জন্যই কঠিন শর্তে ঋণ নেওয়ার কোনো মানে নেই। এক্ষেত্রে যারা এমন প্রস্তাব দিচ্ছে তাদের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া দরকার। কেন তারা অতি উচ্চ অনমনীয় ঋণ প্রস্তাব দিচ্ছে। পাশাপাশি ভাবতে হবে যে প্রকল্পের জন্য এমন কঠিন শর্তে ঋণ নেওয়া হবে সেটি থেকে রিটার্ন আসবে কি না। অর্থাৎ ঋণ পরিশোধের মতো আয় আসবে কি না সেটিও দেখতে হবে।

    সূত্র জানায়, ‘হাওড় ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড লাইভলিহুড ইমপ্র“ভমেন্ট প্রজেক্ট-ক্লাইমেন্ট অ্যাডাপসন অ্যান্ড লাইভলিহুড প্রটেকশন (এইচআইএলআইপ-সিএএলআইপি)’ প্রকল্পে কঠিন শর্তে ঋণ প্রস্তাব করেছে ইফাদ। এক্ষেত্রে ৩৩ মিলিয়ন বা প্রায় ৩৬৩ কোটি টাকার ঋণ প্রস্তাব দেওয়া হয়। প্রস্তাবে বলা হয়েছে ৩৫ বছরে এটি পরিশোধ করতে হবে। গ্রেস পিরিয়ড বা রেয়াতকাল ধরা হয়েছে ১০ বছর। সুদের হারের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে সোফার সঙ্গে টোটাল স্প্রেড ফর ক্যাটাগরি-১ কান্ট্রি (১ দশমিক ০৬ শতাংশ) যোগ হবে। কিস্তি দিতে হবে ছয় মাস পর পর। এই ঋণে গ্র্যান্ট এলিমেন্ট (ঋণটি কোন ধরনের) মাইনাস ৭ দশমিক ৩৩ শতাংশ। ইআরডির ফাবা উইং প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করে বলেছে, গত ১৬ ফ্রেব্রুয়ারির হিসাবে সোফার রেট ছিল ৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ। এর সঙ্গে বাকি সুদ যোগ হলে শেষ পর্যন্ত সুদের হার দাঁড়াতে পারে ৫ দশমিক ৬১ শতাংশ। গড় ঋণ পরিশোধের সময় এবং ঋণটির শর্ত বিবেচনায় এটির গ্র্যান্ট এলিমেন্ট অত্যন্ত কম। অর্থাৎ মাইনাস ৭ দশমিক ৩৩ শতাংশ। ফলে এাটিকে একটি উচ্চ অনমনীয় ঋণ হিসাবে বলা যায়। কেননা যেকোনো ঋণের গ্র্যান্ট এলিমেন্ট ২৫ শতাংশের কম হলেই সেটি অনমনীয় ঋণ বলা হয়। সেখানে এটি মাইনাসে চলে গেছে।

    ইনস্টিটিউট ফর ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (আইএনএম) নির্বাহী পরিচালক ড. মুস্তফা কে. মুজেরী বলেন, দিন দিন আমাদের জন্য সহজ শর্তের ঋণ কমে আসবে। কেননা ইতোমধ্যেই নি ম্ন মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছি আমরা। এরপর এলডিসি থেকেও বেরিয়ে যাওয়ার পথে। ফলে সহজ ঋণ কমে আসাটা স্বাভাবিক। আমাদের ধীরে ধীরে বাণিজ্যিক ঋণের দিকেই যেতে হবে। সেই সঙ্গে এমনিতেও বিশ্ব বাজারে ঋণ পরিস্থিতি ভালো নয়। যারা ঋণ দেবে তারাও অর্থ সংকটে থাকছে। এক্ষেত্রে আমাদের চেষ্টা করতে হবে যতটা সহজ শর্তে ঋণ পাওয়া যায় ততটাই ভালো। পাশাপাশি বাংলাদেশকে ঋণ ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বাড়াতে হবে। প্রকল্প বাছাইয়ে সচেতন হতে হবে। উৎপাদনশীল প্রকল্পে বিদেশি ঋণ নিতে হবে। এক কথায় ঋণের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

    ইফাদের ঋণটি পর্যালোচনায় আরও বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত আর্থিক প্রস্তাব ও প্রকল্পটি বিশ্লেষণ করে দেখা যায় ঋণ প্রস্তাবটি উচ্চ অনমনীয়। সেই সঙ্গে এ ঋণের মাধ্যমে গ্রহণ করা প্রকল্পটি কোনো উচ্চ রাজস্ব আনয়নকারী প্রকল্প নয়। এছাড়া অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের বৈদেশিক অর্থায়ন বিষয়ে যে বিচক্ষণ নীতিমালা অনুসরণ করা হয় সেক্ষেত্রে এ ঋণটি গ্রহণযোগ্য নয়। কেননা অনমনীয় ঋণের মাধ্যমে উচ্চ রাজস্ব আহরণকারী প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং নমনীয় (সহজ শর্তের) ঋণের মাধ্যমে অন্যান্য কম রাজস্ব আহরণকারীর প্রকল্প বাস্তবায়ন করাই হচ্ছে ইআরডির নীতি। এসব বিবেচনায় প্রকল্পে প্রস্তাবিত ঋণটি নেওয়া ঠিক হবে না। এর ফলে অন্য উন্নয়ন সহযোগীরা পরে একই ধরনের ঋণ দিতে উৎসাহিত হবে। পাশাপাশি সহজ শর্তের নমনীয় ঋণ পাওয়ার সুযোগ সীমিত হয়ে যাবে। এ ছাড়া ঋণ প্রস্তাবটি অতি অনমনীয় হওয়ায় এই ঋণ অনুমোদনের জন্য স্ট্যান্ডিং কমিটি অন নন কন্সেশনাল কমিটির অনুমোদন প্রয়োজন হবে বলে মতামত দেওয়া হয়েছে।

    অকা/প্র/ সকাল, ২৭ এপ্রিল, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ 

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    উন্নয়ন প্রকল্পে কঠিন শর্তের ঋণ দেওয়ার প্রস্তাব বাড়ছে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডে এক বিলিয়ন ডলারের রফতানি-আমদানি ঝুঁকিতে

    বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য আইএমএফের সতর্ক সংকেত
    আবারও কমলো প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস

    ৩৩ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় সেপ্টেম্বরে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সাংবাদিকতার নামে ভিউ বাণিজ্য, শেষ কোথায়!

    বাজেট ২০২৬-২৭
    ৫ বছরের আয়কর রোডম্যাপ ঘোষণা

    ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ

    অর্থনীতিতে বড় মাইলফলক অর্জন
    ৫০১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাল দেশের জিডিপি

    ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বসানো হচ্ছে প্রশাসক

    ম্যাচিউরিটি নিয়ে যা বললেন কেয়া পায়েল

    বলিউডে কে এই নতুন স্টারকিড!

    এবার হাবিব ওয়াহিদের ‘প্রেমের কলঙ্ক’

    দাপুটে জয়ে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি সারল মেসির আর্জেন্টিনা

    ৬৩ কোটি টাকায় বিশ্বকাপ সম্প্রচারস্বত্ব কিনল বিটিভি

    বিশ্বকাপ: জেনে নিন কত টাকা পাবে চ্যাম্পিয়ন দল

    ক্ষুদ্র ব্যবসাও আসছে ভ্যাটের আওতায়

    কম ডিভিডেন্ড দিলে গুনতে হবে বাড়তি কর

    ১০ হাজার কোটি টাকার জরুরি তহবিল চায় ইসলামী ব্যাংক

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.