Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    কমেছে শেয়ারসহ বিও হিসাবের সংখ্যা

    মে ১১, ২০২৪ ৬:৪৯ পূর্বাহ্ণUpdated:মে ১১, ২০২৪ ৬:৪৯ পূর্বাহ্ণ4
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    শেয়ার শূন্য বিও হিসাবের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় কমেছে শেয়ারসহ বিও হিসাবের সংখ্যা। শেয়ার বাজারে লেনদেনে গতি ফিরলেও বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরছে না। এ কারণে বাজারের সূচক ও লেনদেন বৃদ্ধির পরও বাজার ছাড়ছেন বিনিয়োগকারীরা। শেয়ার বাজারের বিনিয়োগকারীদের বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাব ও স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে শেয়ার ধারণকারী প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড বা সিডিবিএলের তথ্য থেকে এ চিত্র পাওয়া গেছে।

    সিডিবিএলের তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে (৫ মে) শেয়ার বাজারে শেয়ার শূন্য বিও হিসাবের সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৬৯ হাজার ৩৯৫। সপ্তাহ শেষে (৯ মে) তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৭৫০টিতে। অর্থাৎ সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসে ৫ হাজার ৩৫৫ জন বিনিয়োগকারী তাঁদের হাতে থাকা সব শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছেন। ফলে সপ্তাহের শেষ দিনে এসে শেয়ার শূন্য বিও হিসাব গত সপ্তাহের চেয়ে বেড়ে গেছে।

    শেয়ার শূন্য বিও হিসাবের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় কমেছে শেয়ারসহ বিও হিসাবের সংখ্যা। গত সপ্তাহ শেষে শেয়ার বাজারে সক্রিয় তথা শেয়ারসহ বিও হিসাবের সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ১৩ লাখ ৩৭ হাজার ৪৫৫। আগের সপ্তাহে শেয়ারসহ বিও হিসাবের সংখ্যা ছিল ১৩ লাখ ৪২ হাজার ৭৯৭। শেয়ার বাজারে যেসব বিও হিসাবে শেয়ার থাকে সেগুলোকেই মূলত সক্রিয় বিও হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

    সাধারণত দেখা যায়, শেয়ার বাজার ঊর্ধ্বমুখী ধারায় থাকলে বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ে। কিন্তু কয়েক মাস ধরে বাজারে দরপতন অব্যাহত থাকায় শেয়ার বাজার ছেড়ে যাওয়া বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বাড়ছে। এমনকি গত সপ্তাহে লেনদেন ও সূচক বাড়লেও বিনিয়োগকারীদের বাজার ছাড়ার এই প্রবণতায় ছেদ পড়েনি। বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, নানা কারণে শেয়ার বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কমে গেছে। এর মধ্যে অন্যতম আস্থার সংকট, কারসাজির ভয়, দীর্ঘদিন ধরে বাজারে মন্দাবস্থা, ব্যাংকে আমানতের সুদহার বেড়ে যাওয়া।

    শেয়ার বাজারের শীর্ষস্থানীয় একাধিক ব্রোকারেজ হাউসের শীর্ষ নির্বাহীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ার বিক্রি করে দেওয়ার প্রবণতা বাড়লেও সবাই যে বাজার থেকে টাকা তুলে নিয়ে যাচ্ছেন, এমনটি নয়। যাঁরা শেয়ার বিক্রি করে দিচ্ছেন তাঁদের অর্থ বিও হিসাবেই থাকছে। নতুন করে তাঁরা বাজারে সক্রিয় হচ্ছেন না।

    বিনিয়োগকারীদের কেন এমন প্রবণতা, জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে শীর্ষস্থানীয় এক ব্রোকারেজ হাউসের শীর্ষ নির্বাহী বলেন, টানা দরপতন ও নানা ধরনের কারসাজির ঘটনায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থার সংকট দেখা দিয়েছে। মন্দা বাজারে এ ধরনের প্রবণতা থাকে। বাজার যদি আবার ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করে তখন নিষ্ক্রিয় বিনিয়োগকারীরা আবারও সক্রিয় হতে শুরু করবেন। অনেক বিনিয়োগকারী শেয়ার বিক্রি করে টাকা নিয়ে চুপচাপ বসে আছেন। এসব বিনিয়োগকারী সক্রিয় হতে শুরু করলে বাজার আবার গতি ফিরে পাবে।

    এদিকে দেশের প্রধান শেয়ার বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের সপ্তাহের চেয়ে গত সপ্তাহে ৪৫ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৬৬১ পয়েন্টে। বেড়েছে লেনদেনও। গত সপ্তাহ শেষে ডিএসইতে দৈনিক গড় লেনদেন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৬১ কোটি টাকায়, যা আগের সপ্তাহের চেয়ে ২৫৫ কোটি টাকা বা ৩৬ শতাংশ বেশি। প্রায় তিন মাস পর গত সপ্তাহে আবারও লেনদেন হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এরপর দুই দিন ডিএসইতে হাজার কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়েছে। এ কারণে আগের সপ্তাহের চেয়ে বেড়েছে গড় লেনদেন।

    জানতে চাইলে বেসরকারি ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্য অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোহাম্মদ মুসা বলেন, বর্তমানে অর্থবাজারের যে অবস্থা তা কোনোভাবেই শেয়ার বাজারের জন্য ইতিবাচক কোনো বার্তা দিচ্ছে না। বরং সর্বশেষ গত সপ্তাহে ডলারের মূল্যবৃদ্ধি ও সুদহার বাজারভিত্তিক করার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা শেয়ার বাজারের জন্য নেতিবাচক সিদ্ধান্ত। সামগ্রিক এ পরিস্থিতিতে তাই বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বিক্রি করে দিয়ে বসে আছেন। এর মধ্যে লেনদেন বেড়েছে। তার কারণ হতে পারে কিছু প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী বাধ্য হয়ে বাজার টেনে তুলতে এগিয়ে এসেছে।

    অকা/পুঁবা/সৈই/সকাল/১১ মে, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    বিও হিসাব শেয়ার বাজার সিডিবিএল

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    দুই হাজার টাকার চামড়ার দাম ৫০০ টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.