Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ঋণ অবলোপনে নোটিশ সময় কমিয়ে ১০ কর্মদিবস করল বাংলাদেশ ব্যাংক

    নভেম্বর ২০, ২০২৫ ১০:১৩ পূর্বাহ্ণ9
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোর ব্যালান্স শিটে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা মন্দমানের শ্রেণিকৃত খেলাপি ঋণ সরাতে হলে তা অবলোপন বা রাইট–অফ করতে হয়। এই অবলোপন পদ্ধতিকে আরও কাঠামোবদ্ধ করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। সর্বশেষ সার্কুলার অনুযায়ী, এখন থেকে কোনো গ্রাহকের ঋণ অবলোপনের সিদ্ধান্ত কার্যকর করার কমপক্ষে ১০ কর্মদিবস আগে সংশ্লিষ্ট গ্রাহককে লিখিত নোটিশ দিতে হবে। এর মাধ্যমে গ্রাহককে আগেই বিষয়টি জানিয়ে তার অবস্থান জানানোর বা আপত্তি তোলার সুযোগ রাখা হলো।

    এর আগের নির্দেশনায় নোটিশ দেওয়ার সময়সীমা ছিল ৩০ দিন। ১৯ অক্টোবরের সার্কুলারে সেই সময়সীমাই ছিল প্রচলিত নিয়ম। কিন্তু মাত্র এক মাসের ব্যবধানে বাংলাদেশ ব্যাংক সময় কমিয়ে ১০ কর্মদিবস নির্ধারণ করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৩০ দিনের সময়সীমা অনেক ক্ষেত্রে খেলাপি হিসাব নিষ্পত্তির প্রক্রিয়াকে অস্বাভাবিকভাবে দীর্ঘায়িত করছিল। একটি কেস রিকভারি করতে সময় বাড়তে বাড়তে ব্যাংকগুলোর কার্যক্রম স্থবির হয়ে যাচ্ছিল। সেই অকার্যকারিতা কমাতেই নোটিশ–সময়সীমাকে ছোট করা হয়েছে।

    সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে, ব্যাংকগুলো নিজস্ব নীতিমালা অনুযায়ী অবলোপনের পর রিকভারি করা অর্থের বিপরীতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নগদ প্রণোদনা দিতে পারবে। যারা এখনো কোনো ইনসেনটিভ–নীতিমালা প্রণয়ন করেনি, তাদের পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন নিয়ে নীতিমালা তৈরি করতে হবে। এ সিদ্ধান্তের ফলে রিকভারি কার্যক্রম আরও ফলপ্রসূ হবে বলে ব্যাংকিং খাতের সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

    নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ঋণ দীর্ঘসময় ধরে মন্দ ও ক্ষতিজনক শ্রেণিতে অবস্থান করলে ব্যাংক চাইলে তা ব্যালান্স শিট থেকে অবলোপন করতে পারে। এতে ব্যাংকের প্রকৃত ঝুঁকির চিত্র আরও পরিষ্কার হয়। নতুন নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে—যেসব খেলাপি ঋণ তুলনামূলকভাবে বেশি পুরনো, সেগুলোকে আগে অবলোপনের আওতায় আনতে হবে, যাতে ব্যাংকের ব্যালান্স শিটে বহু বছর ধরে পড়ে থাকা অকার্যকর হিসাবগুলো দ্রুত সংকুচিত হয়।

    তবে অবলোপন মানেই গ্রাহকের দায়মুক্তি নয়। সার্কুলার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, অবলোপন করা হলেও ঋণগ্রহীতা তার সম্পূর্ণ বকেয়া পরিশোধ না করা পর্যন্ত তাকে খেলাপি হিসেবেই গণ্য করা হবে। অর্থাৎ নাম ব্যালান্স শিট থেকে মুছে গেলেও দায় রয়ে যাবে, এবং রিকভারি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এই কারণেই অবলোপনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে গ্রাহককে নোটিশ দেওয়াকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৪ সালের আর্থিক স্থিতিশীলতা প্রতিবেদনে দেখা যায়, দেশে ইতোমধ্যে অবলোপনকৃত ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। একইসঙ্গে ২০২৫ সালের মার্চ শেষে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪.২০ লাখ কোটি টাকায়। এর মধ্যে মন্দ ও ক্ষতিজনক শ্রেণির ঋণই রয়েছে ৩.৪২ লাখ কোটি টাকা, যা মোট খেলাপির ৮১ শতাংশেরও বেশি। এই বিপুল পরিমাণ মন্দমানের ঋণ নির্দেশ করে যে, ব্যাংক চাইলে নিয়ম মেনে অনেক ঋণই অবলোপন করতে পারে—শর্ত হলো ঐ ঋণের বিপরীতে শতভাগ প্রভিশন থাকতে হবে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, কোনো ব্যাংকের কোনো খেলাপি ঋণের বিপরীতে প্রভিশনে ঘাটতি থাকলে তা সংশ্লিষ্ট বছরের আয় থেকে সমন্বয় করে পূরণ করতে হবে। অর্থাৎ প্রভিশনের বাধ্যবাধকতা এড়ানোর সুযোগ নেই। এতে ব্যাংকের তাৎক্ষণিক মুনাফা কমলেও ব্যালান্স শিটের স্বচ্ছতা বাড়বে এবং ঝুঁকির হিসাব আরও বাস্তবসম্মত হবে।

    সামগ্রিকভাবে এই নতুন নীতি ব্যাংকগুলোর অবলোপন প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করবে, দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা অকার্যকর ঋণগুলো ব্যালান্স শিট থেকে সরিয়ে পরিস্কার আর্থিক চিত্র তুলে ধরতে সহায়তা করবে, এবং রিকভারি বিভাগের দক্ষতাও বাড়াবে। একই সঙ্গে গ্রাহককে আগেভাগে নোটিশ দেওয়া বাধ্যতামূলক করায় ব্যাংকিং খাতে দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতা—দুটোই জোরদার হবে। ●
    অকা/ব্যাংখা/ই/সকাল/২০ নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 7 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ব্যক্তিগত ঋণের মেয়াদ বেড়ে হলো ৮ বছর

    সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে বাধা নয়, গ্রাহকসেবায় ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ

    প্রবাসীদের জন্য চালু হলো নতুন ব্যাংকিং সুবিধা

    ৭ ব্যাংকে ৮৫২ অফিসার নিয়োগ, ৩ জুলাই পরীক্ষা

    এমটিবির ডিএমডি হলেন মোহাম্মদ মামুন ফারুক

    ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারে ফিরলেন বিক্রেতারা

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    অপরাধ নিয়ন্ত্রণেই অর্থনীতি ও বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ

    বিশ্ববাজারে কমতে শুরু করেছে জ্বালানি তেলের দাম

    জার্মানিকে হারিয়ে ইতিহাস, ইকুয়েডরে জাতীয় ছুটি ঘোষণা

    মোংলায় হচ্ছে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল, নতুন বিনিয়োগ চুক্তি

    বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে করিডোরের প্রস্তাব চীনের

    ব্যক্তিগত ঋণের মেয়াদ বেড়ে হলো ৮ বছর

    সিপিডি ও ক্রিশ্চিয়ান এইডের যৌথ সংলাপ
    কর বৈষম্যের বৃত্তে বন্দী এবারের বাজেট

    মোবাইল ডাটা ও বিমান ভাড়ার চড়া মূল্য নিয়ে সংসদে ক্ষোভ

    জনবল পুনর্গঠন: ডিএসই’র চার ডিজিএম চাকরিচ্যুত

    ১১ মাসে এডিপি বাস্তবায়ন ১৬ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন

    ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন করবেন যেভাবে

    বাংলাদেশিদের জন্য চালু হচ্ছে ভারতের পর্যটন ভিসা

    বিকাশে ভুল নম্বরে টাকা চলে গেলে যেভাবে ফেরত পাবেন

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের পানিসম্পদমন্ত্রীর বৈঠক
    তিস্তাসহ বিভিন্ন প্রকল্পে চীনকে পাশে চায় বাংলাদেশ

    দুর্নীতি ও ঘুষে শীর্ষে পাসপোর্ট অফিস, দ্বিতীয় বিআরটিএ

    ১৩০০ উন্নয়ন প্রকল্প এখন গলার কাঁটা : অর্থমন্ত্রী

    ফ্রেশ অনন্যা স্যানিটারি ন্যাপকিন
    দেশব্যাপী নারীদের সচেতনতায় উন্নয়নমূলক কর্মসূচি

    ফুটবলপাগল বাংলাদেশ কেন বিশ্ব ফুটবলে এত পিছিয়ে?

    অসুস্থ কাঙালিনী সুফিয়ার জন্য ফাউন্ডেশনের বিশেষ সহায়তা

    দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে প্রথমবার নকআউটে দক্ষিণ আফ্রিকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.