Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    বৃহস্পতিবার, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ১১ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণ নেওয়ার অঙ্ক কমিয়েছে সরকার

    এপ্রিল ১৮, ২০২৩ ৪:২৫ পূর্বাহ্ণUpdated:এপ্রিল ১৮, ২০২৩ ৪:২৫ পূর্বাহ্ণ2
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত পূরণে সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণ নেওয়ার অঙ্ক কমিয়ে আনছে সরকার। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ঘাটতি বাজেট মেটাতে চলতি বছরের তুলনায় কমপক্ষে ৭ হাজার কোটি টাকা কম ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে। অর্থ বিভাগের বিশ্লেষণ হলো-সঞ্চয়পত্রের ঋণের সুদ উচ্চহারে পরিশোধে অস্বাভাবিক ব্যয় বেড়েছে। ব্যয় কমিয়ে আনতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আইএমএফ’ও এক্ষেত্রে সুদ ব্যয় কমিয়ে আনতে শর্ত দিয়েছে। তবে ঘাটতি পূরণে ব্যাংক খাত থেকে ঋণ বেশি নেওয়া হবে।

    অর্থনীতিবিদদের অভিমত, সঞ্চয়পত্র বিক্রির রেশ টানা হলে নিু ও মধ্যবিত্তরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সঞ্চয়পত্র কিনে যারা সংসার পরিচালনা করছেন, তারা বিপদে পড়বেন। অপরদিকে, ব্যাংক খাত থেকে বেশি ঋণ নেওয়া হলে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সংকটের মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। আর এটি হলে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। আর এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারকে আগামী দিনে টাকা ছাপিয়ে চলতে হতে পারে বলে আশঙ্কার কথাও শুনিয়েছেন তারা।

    সম্প্রতি অর্থনৈতিক সংক্রান্ত কো-অর্ডিনেন্স কাউন্সিল বৈঠকে সরকারের ঋণ পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে মোট অভ্যন্তরীণ ঋণের ২০ শতাংশ সঞ্চয়পত্র থেকে এবং বাকি ৮০ শতাংশ ব্যাংক থেকে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত অর্থ বিভাগের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, সঞ্চয়পত্র নিয়ে আইএমএফ-এর শর্ত ও আমাদের চিন্তা একই। কারণ, সঞ্চয়পত্রকে সামাজিক নিরাপত্তা টুলস হিসাবে সরকার বিবেচনা করে। কিন্তু পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, সঞ্চয়পত্র ক্রেতাদের ৯৭ শতাংশের বিনিয়োগের পরিমাণ ৫ লাখ টাকার ওপরে। সঞ্চয়পত্র এখন আর নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। অনেক মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্তরা এ খাতে বিনিয়োগ করছেন। এখন প্রশ্ন-সরকার উচ্চহারে সঞ্চয়পত্রের সুদ কাদের দিচ্ছে? কারা এই সুদের সুবিধাভোগী। এখানে আইএমএফও একই প্রশ্ন তুলছে। যে কারণে সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণ নেওয়ার অঙ্ক পর্যায়ক্রমে কমিয়ে আনবে সরকার। সাধারণত প্রতিবছর ঘাটতি রেখে বাজেট ঘোষণা হয়। ঘাটতি পূরণে দুটি উৎস থেকে ঋণ নেওয়া হয়। প্রথমত বৈদেশিক এবং দ্বিতীয়ত অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংক ও সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণ নেওয়া হয়। অর্থ বিভাগের হিসাবে আগামী অর্থবছরের বাজেট ঘাটতি মেটাতে সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণ নেওয়ার প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা হলো ২৮ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। আর চলতি অর্থবছরে এ ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ৩২ হাজার কোটি টাকা। সে হিসাবে নতুন বাজেটে কমপক্ষে ৭ হাজার কোটি টাকা ঋণ কম নেওয়া হবে।

    সূত্র আরও জানায়, কয়েকটি পদক্ষেপ নিয়ে এরই মধ্যে সঞ্চয়পত্র বিক্রির রেশ টেনেছে অর্থ বিভাগ। প্রথমত, সঞ্চয়পত্র কেনার প্রক্রিয়া অনলাইনভিত্তিক, দ্বিতীয়ত বিনিয়োগসীমা ‘যৌক্তিক পর্যায়ে’ নামিয়ে আনা এবং তৃতীয়ত মুনাফার হারের কয়েকটি স্তর করা। এসব সংস্কার কার্যকর করায় সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ আগের তুলনায় কমেছে। অর্থ বিভাগের হিসাবে অর্থবছরের (জুলাই-ডিসেম্বর) ছয় মাসে সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি নেতিবাচক হয়েছে ৩ হাজার ১০৭ কোটি টাকা। এ বছরে সঞ্চয়পত্র বিক্রির মোট লক্ষ্যমাত্রা ৩৫ হাজার কোটি টাকা।

    সাবেক সিনিয়র অর্থসচিব মাহবুব আহমেদ বলেন, আইএমএফ বর্তমান বাজারের সঙ্গে সঞ্চয়পত্রের সুদহার সমন্বয় করতে বলেছে। এছাড়া সরকারও সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণ কম নেওয়ার নীতি গ্রহণ করেছে। তিনি আরও বলেন, পর্যায়ক্রমে ব্যাংক সুদহারও বাড়ছে। ফলে ব্যাংকের সুদহার ও সঞ্চয়পত্রের সুদহারের মধ্যে খুব শিগগিরই ফারাক কমবে। সঞ্চয়পত্র সামাজিক নিরাপত্তা টুলস হিসাবে ব্যবহার হওয়ায় অনেক নিম্নআয়ের মানুষ, বিধবা ও অবসরভোগীরা বিনিয়োগ করে সংসার চালায়। এর আগেও সঞ্চয়পত্রের সুদহার কমানো হয়েছে। এখানে আর হাত দেওয়া ঠিক হবে না।

    সূত্রমতে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট ঘাটতি পূরণে ব্যাংক খাত থেকে ১ লাখ ১৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হবে। চলতি অর্থবছরে এ ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ আগামী অর্থবছরে ৮ হাজার কোটি টাকা বেশি নেওয়া হবে।

    কিন্তু পর্যালোচনায় দেখা যায়, এ বছর ব্যাংকগুলোয় আমানতের প্রবৃদ্ধি ৬ থেকে ৭ শতাংশ হয়েছে। আসন্ন বাজেটের খসড়া আকার অনুযায়ী ৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য স্থির করেছে। কিন্তু এতে যে আমানতের প্রবৃদ্ধি হয়েছে, সেটি পুরোটাই গিলে খাবে সরকারের ঋণ প্রবৃদ্ধি। অর্থাৎ আমানতের প্রবৃদ্ধির পুরোটাই চলে যাবে সরকারের ঋণের খাতে। এক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোক্তারা ঋণ নিয়ে সংকটে পড়বে-এমন শঙ্কা আছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক পরামর্শ দিয়েছে ব্যাংক থেকে কম ঋণ নেওয়ার।

    গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, সঞ্চয়পত্র বিক্রি কমাতে বেশকিছু উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এসব কারণে বিক্রি অনেক কমেছে। এখন প্রশ্ন-ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার। কিন্তু ব্যাংকে আমানত স্বল্পতা বড় সমস্যা। আগামী বছরে ব্যাংকগুলোয় আমানতের পরিমাণ বাড়াতে হবে। না হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা ছাপিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে হবে। পাশাপাশি সরকারে ব্যয়ও কমাতে হবে।

    এদিকে সুদ ব্যয়ে সরকার নতজানু হয়ে পড়ছে। চলতি অর্থবছরে ঋণের সুদ পরিশোধে ৮০ হাজার ৩৭৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ বছর সুদ ব্যয়ে সরকারকে আরও ৯ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকা অতিরিক্ত বেশি গুনতে হবে। এর সিংগভাগ যাবে সঞ্চয়পত্রে। আগামী অর্থবছরে এ সুদ ব্যয় এক লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।

    সঞ্চয়পত্র নিয়ে আইএমএফ-এর রূপরেখা : আইএমএফ-এর প্রাক্কলন অনুযায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি কমে দাঁড়াবে ৩ দশমিক ৩ শতাংশ। এ ঘাটতি কমানোর পেছনে নিয়ামক হবে কর খাতে আয় বৃদ্ধি। সংস্থাটি হিসাব কষে বলেছে, ২০২৩-২০২৬ পর্যন্ত তিন অর্থবছরে বাংলাদেশকে অতিরিক্ত কর রাজস্ব ৪ লাখ ৩৭ হাজার ৩০০ কোটি টাকা বাড়াতে হবে। এটি বাস্তবায়ন হলে ঘাটতি বাজেট জিডিপির ৫ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ৩ দশমিক ৩ শতাংশে নেমে আসবে। আর ঘাটতি কমলে সঞ্চয়পত্র খাত থেকে ঋণ নেওয়ার অঙ্কও কমবে। শর্ত অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ ঋণের এক-চতুর্থাংশের বেশি ঋণ নেওয়া যাবে না সঞ্চয়পত্র থেকে।

    অকা/প্র/ সকাল, ১৮ এপ্রিল, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ 

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণ নেওয়ার অঙ্ক কমিয়েছে সরকার

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডে এক বিলিয়ন ডলারের রফতানি-আমদানি ঝুঁকিতে

    বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য আইএমএফের সতর্ক সংকেত
    আবারও কমলো প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস

    ৩৩ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় সেপ্টেম্বরে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সাংবাদিকতার নামে ভিউ বাণিজ্য, শেষ কোথায়!

    বাজেট ২০২৬-২৭
    ৫ বছরের আয়কর রোডম্যাপ ঘোষণা

    ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ

    অর্থনীতিতে বড় মাইলফলক অর্জন
    ৫০১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাল দেশের জিডিপি

    ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বসানো হচ্ছে প্রশাসক

    ম্যাচিউরিটি নিয়ে যা বললেন কেয়া পায়েল

    বলিউডে কে এই নতুন স্টারকিড!

    এবার হাবিব ওয়াহিদের ‘প্রেমের কলঙ্ক’

    দাপুটে জয়ে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি সারল মেসির আর্জেন্টিনা

    ৬৩ কোটি টাকায় বিশ্বকাপ সম্প্রচারস্বত্ব কিনল বিটিভি

    বিশ্বকাপ: জেনে নিন কত টাকা পাবে চ্যাম্পিয়ন দল

    ক্ষুদ্র ব্যবসাও আসছে ভ্যাটের আওতায়

    কম ডিভিডেন্ড দিলে গুনতে হবে বাড়তি কর

    ১০ হাজার কোটি টাকার জরুরি তহবিল চায় ইসলামী ব্যাংক

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.